গ্রাফিক ডিজাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রাফিক ডিজাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৫

ডিজাইন সম্পর্কি অনেক প্রশ্ন ও তার সমাধান। কিভাবে গ্রাফিকরিভারেরজন্য ডিজাইন করবেন? কিভাবে শিখবেন? কোথায় শিখবেন? ইত্যাদী


আসসালামু আলাইকুম,

প্রায়-ই সময়, বিশেষ করে প্রতি সপ্তাহেই ১০ থেকে ২০ জনের মত ফেইসবুকে ম্যাসেজ দেয় যে, কিভাবে ভাল ডিজাইন শিখবে বা ভাল মানের ডিজাইন করবে? আবার অনেকেই প্রশ্ন করে গ্রাফিক রিভারের জন্য কিভাবে ডিজাইন করবে? কি করলে ডিজাইন এপ্রুভ হবে? আবার অনেকে সাজেশন্সস চায় যে, কোথায় বা কোন ট্রেইনিং সেন্টারে ভাল মানের গ্রাফিক ডিজাইন শিখায়? এত প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আর ভাল লাগে না। অনেকেই আমার কাছে আসতে রিকুয়েস্ট করে এইসব বিষয়ে তাই ডক লিখতে বসলাম। অনেকদিন যাবৎ ই একটা বিষয় নিয়ে লেখার চিন্তা করেও সময়, মন-মানষীকতা, পরিস্থিতি ইত্যাদী হয়ে ওঠে না। তাই আজকে বসেই পড়লাম।


ডিজাইন শিখার জন্য কোথায় যাবেন বা কোন জায়গা থেকে শিখবেন?

- অনেকেই ডিজাইন শিখার জন্য বিভিন্ন ট্রেইনিং সেন্টারে ভর্তি হন। আমাদের দেশের ট্রেইনিং সেন্টার গুলো শুধু মাত্র ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটরের টুল গুলোর বেসিক ব্যবহার শিখায়। ফটোশপ ইলাস্ট্রেটরের টুলের ব্যবহার জানলেই ডিজাইনার হওয়া যায় না। ট্রেইনিং সেন্টারগুলো যা শিখায় তার চেয়ে অনেক ভাল ভাবে আপনি গুগল, অথবা ইউটিউব থেকে শিখতে পারেন। সেখান থেকে আপনি যা পাবেন , তা ট্রেনিং সেন্টার থেকেও পাবেন না। ইন্টারনেট হচ্ছে সবচেয়ে বড় স্কুল, যদি আপনি ঠিক মত ব্যাবহার করতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে আমার টিউটোরিয়াল গুলে ফলো করতে পারেন Basic Photoshop Tutorial youtube"


যেভাবে ভাল মানের ডিজাইন করবেন

- ভাল মানের ডিজাইন করার জন্য সর্ব প্রথম আপনাকে আত্নবিশ্বাসী হতে হবে এবং প্রচুর ধৈর্যশীল হতে হবে। কখনোই ধৈর্য হারালে চলবে না আর সর্বদা মনে মনে একটা জিনিস ঘুরাতে হবে , সেটা হচ্ছে -আমি ভাল ডিজাইন করতে পারবো, আমার থেকে অবশ্যই ভাল আইডিয়া বের হবে। আমার ক্রিয়েটিভিটি সবার থেকে আলাদা।-

এই চিন্তার মাধ্যমে আপনার মানষীক একটা প্রশান্তি কাজ করবে। আর যখনই আপনি মানষীকভাবে শান্তি পাবেন তখনই দেখবেন আপনার মাথা থেকে একটা একটা করে নতুন নতুন আইডিয়া বের হয়ে আসছে। ( এটা কোন অবাস্তব কথা নয়, বিশ্বাস না হলে ট্রাই করে দেখুন)

দ্বিতীয়ত-ডিজাইনটা সম্পূর্ণটা কালার এর উপরে ডিপেন্ট করে। কোন কালার এর সাথে কোন কালার ভার মিলবে, কোনটার সাথে কোনটা দিলে ডিজাইনটা ফুটে উঠবে এই সম্পর্কে একটু জ্ঞান রাখা । কালার সম্পর্কে ব্যাপক স্ট্যাডি করতে চাইলে গুগল মামার কাছে ডিজাইনকালারিং ম্যানেজমেন্ট দিয়ে সার্চ দিলে অনেক আর্টিকেল পাবেন। ওই গুলো যদি একটু ধৈর্য করে পড়তে পারেন তাহলে দেখবেন আপনার ডিজাইনের অনেক জড়তা কেটে গেছে। 

( কয়েকদিনের মধ্যে ইনশা-আল্লাহ কালারিং এর উপরে কয়েকটা লিখা পোস্ট করবো । কালারিংটা একটা পর্বে শেষ করা সম্ভব না। সম্ভব হলে এখানেই লিখতাম )


তৃতীয়ত- প্রচুর পরিমাণে ভাল ভাল ডিজাইন ফলো করতে হবে। ভাল ডিজাইন পেতে হলে,,, সবচেয়ে বড় সহায়ক হচ্ছে www.graphicriver.net  অথবা www.dribbble.com এ ও দেখতে পারেন। প্রথমত হুবুহু একটা ডিজাইন দেখে ওইটার কপি আরেকটা করুন। এভাবে ২০ থেকে ৫০ টা ডিজাইন কপি করে ডিজাইন করুন ( কপি করা ডিজাইন কথনোই পোর্টফোলিও তে রাখার চেষ্ট করবেন না) । 
এই কপি করা ডিজাইন গ্রুপে শেয়ার করে ভুল গুলো শুধরিয়ে নিতে পারেন। তবে কপি করা ডিজাইন গ্রুপে শেয়ার করলে , যে ডিজাইন দেখে হুবুহু ডিজাইন করেছেন তার লিংক টাও অবশ্যই শেয়ার করবেন।এরপর আপনি যখন বিভিন্ন টুল, ইত্যাদীর পারফেক্ট ব্যাবহার আয়ত্ত করতে পারবেন তখন আপনি ২০ থেকে ৫০ টার মত ডিজাইন দেখে নিজের থেকে একটা ডিজাইন করার চেষ্টা করুন। প্রথমে একটু অস্বস্তি অস্বস্তি লাগবে,  আইডিয়া বের হতে চাইবে না।  কিন্তু যখন আপনি কয়েকটা ডিজাইন কমপ্লিট করবেন । এরপর দেখবেন আস্তে আস্তে অটোমেটিক ভাবে আপনার মাথা থেকে নতুন নতুন ক্রিয়েটিভিটি বের হতে থাকবে। আমি এখনও ডিজাইন করার আগে কমপক্ষে ২০ টা ডিজাইন দেখি।  তাহলে আপনারা কেন পারবেন না।?


গ্রাফিকরিভারে এপ্রুভ করাবো কিভাবে?

- বর্তমান সময়ে গ্রফিকরিভার টা হচ্ছে সবচেয়ে বড় গ্রাফিক এলিমেন্ট মার্কেটপ্লেস। এখানে আপনার ডিজাইন এপ্রুভ করাতে হলে, প্রথমত উপরের কথা গুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন।  এরপর ,  আপনার চোখকে ডিজাইনারের চোখ থেকে একজন রিভিউয়ারে পরিনত করুন। ডিজাইন করার পরে তা সমালোচনার জন্য আরেক জনকে দেখান। এক্ষেত্রে ডিজাইন গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন অথবা সবচেয়ে ভাল হয় ডিজাইনটা করার পরে কোন একজন মেয়ে মানুষকে তা দেখান। সে হোক আপনার বোন, আপনার স্ত্রী। কারণ মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে অনেক বেশী এ্যাডভান্স। তারা আপনার ডিজাইনের একটা ফিডব্যাক দিবেই। যেই ফিডব্যাক দেয় সেই ভাবে আবার এডিট করুন।

-দ্বিতীয়ত- ডিজাইন করার পরে গ্রাফিক রিভারের অন্যান্য ডিজাইনের  কোয়ালিটির সাথে আপনার ডিজাইনের  কোয়ালিটি ( কালার, শেপ, টাইপোগ্রাফি)  ইত্যাদী খুব সুক্ষ ভাবে পর্যালোচনা করুন।  কখনোই নিজের ডিজাইনের প্রেমে পড়বেন না। মনে রাখবেন, আপনি যদি ডিজাইন করার পর আপনার ডিজাইনের প্রতি আসক্ত হয়ে যান,  তাহলে কখনোই ভাল মানের ডিজাইন করতে পারবেননা।  সর্বদা আপনার ডিজাইন ইউনিক করার অর্থাৎ সুন্দর এরং ক্রিয়েটিভ করার চেষ্ট করুন। কপি পেস্ট ডিজাইন কখনোই রিভারে আপলোড দিবেন না্।


-তৃতীয়ত- অনেকেই Behance বা  Dribbble থেকে ফ্রি ফাইল নামিয়ে কিছুটা চেঞ্জ করে রিভারে আপলোড দেয়। এরকম কখনোই করবেন না। হয়তো বা আপনার ওই ডিজাইনটা এপ্রুভ হবে,  কিন্তু রিপোর্ট যদি দেয় কেউ তাহলে কিন্তু গোমড় ফাঁস হয়ে যাবে এমনকি রিভারের আইডিটাও রিমুভ করে দিতে পারে।  ফ্রি ফাইল না নামালেও বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে দেখা ডিজাইনও হুবুহ কপি মেরে রিভারে আপলোড দিবেন না। এক কথায় রিভারে কখনোই কপি পেস্ট ডিজাইন আপলোড দিবেন না। সর্বপরি নিজের মেধাকে বিকশিত করার চেষ্ট করুন।



ডিজাইন করতে হলে কি ভার আর্টিস্ট হতে হয়?- না ভাই, ভাল ডিজাইন করার জন্য ভাল আর্টিস্ট হওয়ার দরকার নাই । অাপনার আত্নবিশ্বাস , ইচ্ছাশক্তি এরং সঠিক গাইডলাইনই আপনাকে একজন ভাল মানের ডিজাইনার  হিসেবে গড়ে তুলবে।আজকে এই পর্যন্তই।আর ডিজাইন সম্পর্কে অারো কোন ধরনের প্রশ্ন থাকলে আমাকে ফেইসবুকে ম্যাসেজ দিবেন নির্দিধায়।আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ধন্যবাদ

তাহমিদ হাসান
বিভিন্ন ধরণের ডিজাইনে বিভিন্ন জিনিস টাইপ করতে হয় আর সেই টাইপের ফন্টগুলো যদি সুন্দর হয় তাহলে ডিজাইনের মান অনেক বেড়ে যায়। এখানে কিছু বহুল ব্যাবহৃত ফন্টের নাম ও লিঙ্ক দিলাম। আশা করি আপনাদের কাজে আসবে। ডুবে থাকুন ডিজাইনের মধ্যে :)


Mehran Shahid Chowdhury

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫


গ্রাফিক ডিজাইন কি এটা নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। গ্রাফিক ডিজাইন সর্ম্পকে বর্তমানে কম বেশী সবারই আইডিয়া আছে। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব ডিজাইন শুরু করার আগের বিষয় গুলো।

মনস্হির

অনেকই হুজুগে চলে।কথায় আছে আমরা হুজুগে বান্গালী। কে কি করল না করল ওমুক ওইটা দিয়ে ভাল করেছে আমিও এইটা দিয়ে ভাল কিছু করতে চাই। না এইটা ভাল লাগছেনা এইটা বাদ এইটা দিয়ে ইনকাম কম হয় ওইটা শিখলে ইনকাম ভাল হবে। ভাই থামেন! আগে প্রযোজন আপনার মনস্হির। আপনার মনটাকে শান্ত করে ভাল করে সিদ্ধান্ত নিন কোনটা শিখবেন। আপনি ফ্রিলেন্সিং করার জন্য যদি কাজ শিখেন আমি মনে করি প্রত্যেকটা ক্ষেত্ররই অনেক চাহিদা এবং এগুলোর চাহিদা সারা জীবন থাকবে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে আমি কোনটা পারব বা কোনটা শিখব। আমি বলব আপনি সবগুলোই পারবেন। আপনার যেটা ভাল লাগে যেকোন একটা বিষয় নিয়ে কাজ শেখা শুরু করে দিতে পারেন। কখনই এইভেবে আসবেনা যে এই কাজটা শিখলে ইনকাম টা বেশী হবে। তাই আপনার আগে প্রয়োজন মনস্হির করা। মনটা ঠিক করেন এবং ভাল করে যাচাই বাচাই করে দেখুন আপনার দ্বারা কোন কাজটা হবে :)

আত্ব:বিশ্বাস

অনেকেই ডিজাইন শিখতে আসেন। প্রথম প্রথম খুব বেশী আগ্রহ। কোন ট্র্রেনিং সেন্টারে প্রলোভন বিজ্ঞাপন হয়তবা চোখে পড়েছিল ২-৩ মাসে ডিজাইন শিখে ৫০,০০০ টাকা প্রতিমাসে অায় করুন। ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং করে আশানুরুপ ফলাফল না পেয়ে ডিজাইন শিখা এখনেই শেষ অথবা টিউটরিয়াল কালেক্ট করে হার্ডডিস্ক এ লাল বাত্তি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।।২-৩ মাস পর কোন কিছু না করতে পেরে বলে থাকেন গ্রাফিক ডিজাইন অনেক কঠিন কাজ আমার দ্বারা এটা হবেনা :( কখনও এই কথাটা ভাববেননা আমার দ্বারা কিচ্ছু হবেনা। এই কথাটা যদি মনে করেন তাহলে আসলেই আপনার দ্বারা কিছুই হবেনা। শুধু ডিজাইন শিখতে না আপনার সব কিছুতে আত্ব:বিশ্বাস থাকা প্রয়োজন। হ্যা! আমার দ্বারা এটা হবেই। আমি এটা করতে পারব এবং যে কোন কিছু বিনিময়ে আমাকে আমার লক্ষ অর্জন করতে হবে।

ধৈর্য

ডিজাইন শিখতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে। আপনাকে একটা রুটিন একটা সঠিক নিয়ম, গাইডলাইন ফলো করে আপনাকে কাজ শিখতে হবে। একদম প্রথম দিকে আপনাকে টানা ৭-৮ ঘন্টা কাজ করার প্রয়োজন নেই। কাজ করবেন খুব কম সময় বাট রিসার্চ করবেন বেশী বেশী। বেশীর ভাগ মানুষ ডিজাইন শিখা থেকে ঝড়ে পরে ধৈর্য না থাকার কারনে। সুতরাং গ্রাফিক ডিজাইনে আসার আগে আপনাকে ধৈর্যশীল হয়ে আসতে হবে ;)

হতাশা না হওয়া

গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে গিয়ে আপনাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়তে পারেন। হতে পারে আপনার বন্ধু বান্দবের কাছ থেকে টিটকারি, ফ্যামিলি থেকে বাধা, ব্লা ব্লা ব্লা...এইগুলো কোন কিছু কানে তোলা যাবেনা। যে যত কথাই বা যে যাই বলুক আপনাকে আপনার জায়গায় ঠিক থাকতে হবে এবং লক্ষ অর্জন না হওয়ার আগ পর্যন্ত পরিশ্রম করে যেতে হবে। কোন অবস্হা তে হতাশা হওয়া যাবেনা। যখন যে বাধায় পড়বেন ঠান্ডা মাথায় সেটা সমাধান করার চেস্টা করার চেস্টা করবেন। আমার দেখা অনেকেই আছে যাদের গ্রাফিক ডিজাইন শিখার মাঝখান থেকে ঝড়ে পড়েছে। তার এক মাত্র কারন ছিল অল্পতেই হতাশ হয়ে যাওয়া। ডিজাইন শুরু করার পরে আপনাকে কখনই হতাশ হওয়া যাবেনা।

ইন্টারনেট সম্পর্কে ভাল ধারনা

গ্রাফিক ডিজাইন শিখার আগে যদি আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজিং সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকে তাহলে খুব অল্প সময়ে ভাল করতে পারবেন বলে আশা করি। প্রথমত গুগল কে কিভাবে ইউজ করবেন সেটা ভাল করে শিখতে হবে। একজন দক্ষ ডিজাইনার হতে চাইলে ইন্টারনেট ছাড়া কোন বিকল্প নেই। আপনি ডিজাইন শিখার জন্য সব ধরনের ডিজাইন রিসোর্স ইন্টারনেট থেক সংগ্রহ করতে পারবেন।

শুরু করে দিন..

আর দেরী না করে ডিজাইন শিখা শরু করে দিন। আমাদের গ্রুপে এ সম্পর্কে অনেক ডক আছে। তাছাড়া পরবর্তী পোস্ট আমি লিখব কিভাবে ঘরে বসে সহজে প্রফেশনাল ডিজাইনার হবেন (ভিডিও সহ) :P :D । ডিজাইন সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন। যথাসাধ্য আমি সাহায্য করার চেস্টা করব :)

ধন্যবাদ।
তৌকির আহমেদ বাপ্পী

রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৫


১। বিজনেস কার্ড
২। ফ্লাইয়ার ডিজাইন
৩। ব্লুশিয়ার (বাই ফোল্ড, ট্রাইফোল্ড)
৪। ব্যানার (ওয়েব ব্যানার, বিল বোর্ড, পেপার অ্যাড)
৫। ইমেজ রিটাচ
৬। ইমেজ ম্যানিপুলেশন
৭। ফেসবুক কভার পেজ ডিজাইন
৮। বুক কভার ডিজাইন
৯। লোগো ডিজাইন
১০। আইডি কার্ড ডিজাইন
১১। পেন ডিজাইন
১২। আইকন ডিজাইন
১৩। লেটারহেড ডিজাইন
১৪। ইনভেলাপ ডিজাইন
১৫। টি-শার্ট ডিজাইন
১৬। ক্যালেন্ডার ডিজাইন
১৭। প্রোডাক্ট প্যাকেজিং
১৮। ওয়েব টেমপ্লেট ডিজাইন
১৯। ইনফো গ্রাফিক
২০। অ্যাপস ডিজাইন।

(collected)

আজ

|

Visitors

Flag Counter

Popular Posts