শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৫

ডিজাইন সম্পর্কি অনেক প্রশ্ন ও তার সমাধান। কিভাবে গ্রাফিকরিভারেরজন্য ডিজাইন করবেন? কিভাবে শিখবেন? কোথায় শিখবেন? ইত্যাদী


আসসালামু আলাইকুম,

প্রায়-ই সময়, বিশেষ করে প্রতি সপ্তাহেই ১০ থেকে ২০ জনের মত ফেইসবুকে ম্যাসেজ দেয় যে, কিভাবে ভাল ডিজাইন শিখবে বা ভাল মানের ডিজাইন করবে? আবার অনেকেই প্রশ্ন করে গ্রাফিক রিভারের জন্য কিভাবে ডিজাইন করবে? কি করলে ডিজাইন এপ্রুভ হবে? আবার অনেকে সাজেশন্সস চায় যে, কোথায় বা কোন ট্রেইনিং সেন্টারে ভাল মানের গ্রাফিক ডিজাইন শিখায়? এত প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আর ভাল লাগে না। অনেকেই আমার কাছে আসতে রিকুয়েস্ট করে এইসব বিষয়ে তাই ডক লিখতে বসলাম। অনেকদিন যাবৎ ই একটা বিষয় নিয়ে লেখার চিন্তা করেও সময়, মন-মানষীকতা, পরিস্থিতি ইত্যাদী হয়ে ওঠে না। তাই আজকে বসেই পড়লাম।


ডিজাইন শিখার জন্য কোথায় যাবেন বা কোন জায়গা থেকে শিখবেন?

- অনেকেই ডিজাইন শিখার জন্য বিভিন্ন ট্রেইনিং সেন্টারে ভর্তি হন। আমাদের দেশের ট্রেইনিং সেন্টার গুলো শুধু মাত্র ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটরের টুল গুলোর বেসিক ব্যবহার শিখায়। ফটোশপ ইলাস্ট্রেটরের টুলের ব্যবহার জানলেই ডিজাইনার হওয়া যায় না। ট্রেইনিং সেন্টারগুলো যা শিখায় তার চেয়ে অনেক ভাল ভাবে আপনি গুগল, অথবা ইউটিউব থেকে শিখতে পারেন। সেখান থেকে আপনি যা পাবেন , তা ট্রেনিং সেন্টার থেকেও পাবেন না। ইন্টারনেট হচ্ছে সবচেয়ে বড় স্কুল, যদি আপনি ঠিক মত ব্যাবহার করতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে আমার টিউটোরিয়াল গুলে ফলো করতে পারেন Basic Photoshop Tutorial youtube"


যেভাবে ভাল মানের ডিজাইন করবেন

- ভাল মানের ডিজাইন করার জন্য সর্ব প্রথম আপনাকে আত্নবিশ্বাসী হতে হবে এবং প্রচুর ধৈর্যশীল হতে হবে। কখনোই ধৈর্য হারালে চলবে না আর সর্বদা মনে মনে একটা জিনিস ঘুরাতে হবে , সেটা হচ্ছে -আমি ভাল ডিজাইন করতে পারবো, আমার থেকে অবশ্যই ভাল আইডিয়া বের হবে। আমার ক্রিয়েটিভিটি সবার থেকে আলাদা।-

এই চিন্তার মাধ্যমে আপনার মানষীক একটা প্রশান্তি কাজ করবে। আর যখনই আপনি মানষীকভাবে শান্তি পাবেন তখনই দেখবেন আপনার মাথা থেকে একটা একটা করে নতুন নতুন আইডিয়া বের হয়ে আসছে। ( এটা কোন অবাস্তব কথা নয়, বিশ্বাস না হলে ট্রাই করে দেখুন)

দ্বিতীয়ত-ডিজাইনটা সম্পূর্ণটা কালার এর উপরে ডিপেন্ট করে। কোন কালার এর সাথে কোন কালার ভার মিলবে, কোনটার সাথে কোনটা দিলে ডিজাইনটা ফুটে উঠবে এই সম্পর্কে একটু জ্ঞান রাখা । কালার সম্পর্কে ব্যাপক স্ট্যাডি করতে চাইলে গুগল মামার কাছে ডিজাইনকালারিং ম্যানেজমেন্ট দিয়ে সার্চ দিলে অনেক আর্টিকেল পাবেন। ওই গুলো যদি একটু ধৈর্য করে পড়তে পারেন তাহলে দেখবেন আপনার ডিজাইনের অনেক জড়তা কেটে গেছে। 

( কয়েকদিনের মধ্যে ইনশা-আল্লাহ কালারিং এর উপরে কয়েকটা লিখা পোস্ট করবো । কালারিংটা একটা পর্বে শেষ করা সম্ভব না। সম্ভব হলে এখানেই লিখতাম )


তৃতীয়ত- প্রচুর পরিমাণে ভাল ভাল ডিজাইন ফলো করতে হবে। ভাল ডিজাইন পেতে হলে,,, সবচেয়ে বড় সহায়ক হচ্ছে www.graphicriver.net  অথবা www.dribbble.com এ ও দেখতে পারেন। প্রথমত হুবুহু একটা ডিজাইন দেখে ওইটার কপি আরেকটা করুন। এভাবে ২০ থেকে ৫০ টা ডিজাইন কপি করে ডিজাইন করুন ( কপি করা ডিজাইন কথনোই পোর্টফোলিও তে রাখার চেষ্ট করবেন না) । 
এই কপি করা ডিজাইন গ্রুপে শেয়ার করে ভুল গুলো শুধরিয়ে নিতে পারেন। তবে কপি করা ডিজাইন গ্রুপে শেয়ার করলে , যে ডিজাইন দেখে হুবুহু ডিজাইন করেছেন তার লিংক টাও অবশ্যই শেয়ার করবেন।এরপর আপনি যখন বিভিন্ন টুল, ইত্যাদীর পারফেক্ট ব্যাবহার আয়ত্ত করতে পারবেন তখন আপনি ২০ থেকে ৫০ টার মত ডিজাইন দেখে নিজের থেকে একটা ডিজাইন করার চেষ্টা করুন। প্রথমে একটু অস্বস্তি অস্বস্তি লাগবে,  আইডিয়া বের হতে চাইবে না।  কিন্তু যখন আপনি কয়েকটা ডিজাইন কমপ্লিট করবেন । এরপর দেখবেন আস্তে আস্তে অটোমেটিক ভাবে আপনার মাথা থেকে নতুন নতুন ক্রিয়েটিভিটি বের হতে থাকবে। আমি এখনও ডিজাইন করার আগে কমপক্ষে ২০ টা ডিজাইন দেখি।  তাহলে আপনারা কেন পারবেন না।?


গ্রাফিকরিভারে এপ্রুভ করাবো কিভাবে?

- বর্তমান সময়ে গ্রফিকরিভার টা হচ্ছে সবচেয়ে বড় গ্রাফিক এলিমেন্ট মার্কেটপ্লেস। এখানে আপনার ডিজাইন এপ্রুভ করাতে হলে, প্রথমত উপরের কথা গুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন।  এরপর ,  আপনার চোখকে ডিজাইনারের চোখ থেকে একজন রিভিউয়ারে পরিনত করুন। ডিজাইন করার পরে তা সমালোচনার জন্য আরেক জনকে দেখান। এক্ষেত্রে ডিজাইন গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন অথবা সবচেয়ে ভাল হয় ডিজাইনটা করার পরে কোন একজন মেয়ে মানুষকে তা দেখান। সে হোক আপনার বোন, আপনার স্ত্রী। কারণ মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে অনেক বেশী এ্যাডভান্স। তারা আপনার ডিজাইনের একটা ফিডব্যাক দিবেই। যেই ফিডব্যাক দেয় সেই ভাবে আবার এডিট করুন।

-দ্বিতীয়ত- ডিজাইন করার পরে গ্রাফিক রিভারের অন্যান্য ডিজাইনের  কোয়ালিটির সাথে আপনার ডিজাইনের  কোয়ালিটি ( কালার, শেপ, টাইপোগ্রাফি)  ইত্যাদী খুব সুক্ষ ভাবে পর্যালোচনা করুন।  কখনোই নিজের ডিজাইনের প্রেমে পড়বেন না। মনে রাখবেন, আপনি যদি ডিজাইন করার পর আপনার ডিজাইনের প্রতি আসক্ত হয়ে যান,  তাহলে কখনোই ভাল মানের ডিজাইন করতে পারবেননা।  সর্বদা আপনার ডিজাইন ইউনিক করার অর্থাৎ সুন্দর এরং ক্রিয়েটিভ করার চেষ্ট করুন। কপি পেস্ট ডিজাইন কখনোই রিভারে আপলোড দিবেন না্।


-তৃতীয়ত- অনেকেই Behance বা  Dribbble থেকে ফ্রি ফাইল নামিয়ে কিছুটা চেঞ্জ করে রিভারে আপলোড দেয়। এরকম কখনোই করবেন না। হয়তো বা আপনার ওই ডিজাইনটা এপ্রুভ হবে,  কিন্তু রিপোর্ট যদি দেয় কেউ তাহলে কিন্তু গোমড় ফাঁস হয়ে যাবে এমনকি রিভারের আইডিটাও রিমুভ করে দিতে পারে।  ফ্রি ফাইল না নামালেও বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে দেখা ডিজাইনও হুবুহ কপি মেরে রিভারে আপলোড দিবেন না। এক কথায় রিভারে কখনোই কপি পেস্ট ডিজাইন আপলোড দিবেন না। সর্বপরি নিজের মেধাকে বিকশিত করার চেষ্ট করুন।



ডিজাইন করতে হলে কি ভার আর্টিস্ট হতে হয়?- না ভাই, ভাল ডিজাইন করার জন্য ভাল আর্টিস্ট হওয়ার দরকার নাই । অাপনার আত্নবিশ্বাস , ইচ্ছাশক্তি এরং সঠিক গাইডলাইনই আপনাকে একজন ভাল মানের ডিজাইনার  হিসেবে গড়ে তুলবে।আজকে এই পর্যন্তই।আর ডিজাইন সম্পর্কে অারো কোন ধরনের প্রশ্ন থাকলে আমাকে ফেইসবুকে ম্যাসেজ দিবেন নির্দিধায়।আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ধন্যবাদ

তাহমিদ হাসান
বিভিন্ন ধরণের ডিজাইনে বিভিন্ন জিনিস টাইপ করতে হয় আর সেই টাইপের ফন্টগুলো যদি সুন্দর হয় তাহলে ডিজাইনের মান অনেক বেড়ে যায়। এখানে কিছু বহুল ব্যাবহৃত ফন্টের নাম ও লিঙ্ক দিলাম। আশা করি আপনাদের কাজে আসবে। ডুবে থাকুন ডিজাইনের মধ্যে :)


Mehran Shahid Chowdhury
কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখলে ভাল হয়, এইটা ৫ জনকে জিজ্ঞেস করলে মিনিমাম ১৫টা 
ডিফারেন্ট উত্তর পাওয়া যাবে। সকালে যদি বলে এইটা শিখো, রাতে বলবে ওইটা শিখো। আর
গরম হালকা একটু বেশি লাগলে বলবে অন্য আরেকটা শিখো।
প্রথম স্টেপ: মনে রাখতে হবে, এক লাফে তাল গাছে উঠতে পারবেন না। তাই প্রথমেই কোন একটা সহজ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে প্রোগ্রামিংয়ের ৫টা বেসিক জিনিস শিখে ফেলতে হবে। এই পাঁচটা জিনিস হচ্ছে-


1.                 variable
2.                if else
3.                array
4.                for loop

5.                function


আপনাকে পাইথন বা জাভাস্ক্রিপ্ট থেকে শিখতে হবে এমন কোন কথা নাই। যদি হাতের কাছে 
অন্য কোন বই থাকে অথবা আশেপাশের কেউ অন্য কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে শিখাতে 
পারে, তাইলে সেটাই শিখেন।
সেকেন্ড স্টেপ: বেসিক কনসেপ্টগুলা শেখার পরে আপনি যখন সেকেন্ড ধাপে উঠে যাবেন, তখন প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন 
অপশন আপনার কাছে খোলাসা হতে থাকবে। প্রথমেই ক্লিয়ার হতে হবে, প্রোগ্রামিং শিখার জন্য 
আপনি সুপার লেভেলের সিরিয়াস কিনা। প্রতিদিন কতটুকু ডেডিকেটেড সময় দিতে পারবেন? 
৫-১০ মিনিট ঢুসা মেরে পরের ৬ মাস খোঁজ খবর না থাকলে এই লাইনে আশাকরে কোন লাভ

নাই।


আপনি যদি ভোম্বল মার্কা স্টুডেন্ট হোন, পড়াশোনায় খুবই খারাপ, কোন রকম টেনেটুনে পড়াশোনা চালাতে খবর হয়ে যাচ্ছে। আপনার জন্য সহজ সমাধান হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের এইচটিএমএল 

এবং সিএসএস শেখা। আপনার হাতে আরও কয়েক মাস সময় থাকলে, জাভাস্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন। নিজে নিজে ওয়েবসাইট বানাবেন। সিম্পল ওয়েবসাইট বানায় ফেলতে পারলে পিএইচপি শিখেন।


দ্রুত টাকা কামাইতে চাইলে আপনার শেখা উচিত ওয়ার্ডপ্রেস। কিভাবে কোন একটা ওয়ার্ডপ্রেস থিম 
নিয়ে সেটা এডিট করে ওয়েবসাইট আপলোড করে দেওয়া যায়। ওয়ার্ডপ্রেসের বেসিক ধারণা 
পাওয়ার পরে নেক্সট টার্গেট থাকতে হবে ওয়ার্ডপ্রেসের থিম ডেভেলপমেন্টে শিখা। মার্কেট-প্লেসে 
থিম সাবমিট করা।
যদি আর্টস কমার্সের স্টুডেন্ট হোন এবং মোটামুটি ৬ মাস সময় থাকলে পিএইচপি শিখেন। এক 

বছর সময় থাকলে পাইথন ইন ডেপথ শিখেন।


আর আপনি যদি কম্পিউটার সায়েন্সের ফার্স্ট ইয়ারের স্টুডেন্ট হোন, তাহলে আমি বলব আপনি 
C, C++ টাইপের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখে প্রোগ্রামিং কন্টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। তাইলে প্রোগ্রামিংয়ের জিনিসগুলো সম্পর্কে আপনার গভীর ধারণা হয়ে যাবে। আর আপনি যদি সিএসইতে তিন বছর ফাঁকিবাজি করে এখন লাস্ট ইয়ারে চলে আসছেন, ৬ মাস কি ১ বছর সময় আছে, দ্রুত একটা 
চাকরি পাওয়া লাগবে, তাহলে আপনি জাভা বা c# বা পিএইচপি শিখে দ্রুত চাকরি পাওয়ার
জন্য চেষ্টা করতে হবে।

আপনি যদি স্মার্ট টাইপের কেউ হোন, তাইলে গুঁতায় গাতায়া অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট বা জাভা শিখে ফেলতে পারেন। অথবা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটা ওয়েবসাইট দাড়া করায়া ফেলতে হয়, সেটা শিখে ফেলতে পারেন।
থার্ড স্টেপ: কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে ইন ডেপথ জানতে হলে প্রথমেই ওই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উপরে বাংলায় একটা বই জোগাড় করে আগা গোঁড়া কয়েকবার পড়ে ফেলতে হবে। 
বইয়ের ভিতরে অনেকগুলা উদাহরণ দেওয়া থাকবে। সেগুলো নিজে নিজে প্র্যাকটিস করতে হবে। প্র্যাকটিস করতে গেলে অনেকগুলা আপনি নিজে মেলাতে পারবেন না।সেগুলা ফেসবুকে বিভিন্ন প্রোগ্রামিংয়ের গ্রুপে দিয়ে লোকজনের হেল্প চাইতে হবে।
প্রথম যে বইটা পড়ছেন সেটা মোটামুটি আয়ত্তে চলে আসলে গুগলে বা ইউটিউবে গিয়ে বাংলায়
ওই একই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উপরে টিউটোরিয়াল খুঁজে বের করতে হবে। সেগুলো কয়েকদিন প্র্যাকটিস করার পরে ইংরেজি বিভিন্ন টিউটোরিয়াল বা ওয়েবসাইট থেকে জিনিসগুলো সম্পর্কে 
আরও ক্লিয়ার ধারণা নিতে হবে। তারপর আপনার মোটামুটি ধারণা হয়ে গেলে ওই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উপর ছোটখাটো সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইট বানায় ফেলতে হবে। 



ফোর্থ স্টেপ: লাস্ট হচ্ছে বাংলাদেশে অনেকগুলা প্রোগ্রামিংয়ের গ্রুপ আছে যারা মাসে দুই 
একবার কোন এক জায়গায় মিলিত হয় এবং প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করে, সেগুলোতে যেতে 
হবে এবং অন্যদের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করতে হবে। একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, যেকোনো একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ভালোমতো শিখলেই অন্য যেকোনো আর একটা প্রোগ্রামিং
ল্যাঙ্গুয়েজে সুইচকরা জাস্ট ওয়ান টুয়ের ব্যাপার।

Source: (JHANKAR MAHBUB)

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫


গ্রাফিক ডিজাইন কি এটা নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। গ্রাফিক ডিজাইন সর্ম্পকে বর্তমানে কম বেশী সবারই আইডিয়া আছে। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব ডিজাইন শুরু করার আগের বিষয় গুলো।

মনস্হির

অনেকই হুজুগে চলে।কথায় আছে আমরা হুজুগে বান্গালী। কে কি করল না করল ওমুক ওইটা দিয়ে ভাল করেছে আমিও এইটা দিয়ে ভাল কিছু করতে চাই। না এইটা ভাল লাগছেনা এইটা বাদ এইটা দিয়ে ইনকাম কম হয় ওইটা শিখলে ইনকাম ভাল হবে। ভাই থামেন! আগে প্রযোজন আপনার মনস্হির। আপনার মনটাকে শান্ত করে ভাল করে সিদ্ধান্ত নিন কোনটা শিখবেন। আপনি ফ্রিলেন্সিং করার জন্য যদি কাজ শিখেন আমি মনে করি প্রত্যেকটা ক্ষেত্ররই অনেক চাহিদা এবং এগুলোর চাহিদা সারা জীবন থাকবে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে আমি কোনটা পারব বা কোনটা শিখব। আমি বলব আপনি সবগুলোই পারবেন। আপনার যেটা ভাল লাগে যেকোন একটা বিষয় নিয়ে কাজ শেখা শুরু করে দিতে পারেন। কখনই এইভেবে আসবেনা যে এই কাজটা শিখলে ইনকাম টা বেশী হবে। তাই আপনার আগে প্রয়োজন মনস্হির করা। মনটা ঠিক করেন এবং ভাল করে যাচাই বাচাই করে দেখুন আপনার দ্বারা কোন কাজটা হবে :)

আত্ব:বিশ্বাস

অনেকেই ডিজাইন শিখতে আসেন। প্রথম প্রথম খুব বেশী আগ্রহ। কোন ট্র্রেনিং সেন্টারে প্রলোভন বিজ্ঞাপন হয়তবা চোখে পড়েছিল ২-৩ মাসে ডিজাইন শিখে ৫০,০০০ টাকা প্রতিমাসে অায় করুন। ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং করে আশানুরুপ ফলাফল না পেয়ে ডিজাইন শিখা এখনেই শেষ অথবা টিউটরিয়াল কালেক্ট করে হার্ডডিস্ক এ লাল বাত্তি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।।২-৩ মাস পর কোন কিছু না করতে পেরে বলে থাকেন গ্রাফিক ডিজাইন অনেক কঠিন কাজ আমার দ্বারা এটা হবেনা :( কখনও এই কথাটা ভাববেননা আমার দ্বারা কিচ্ছু হবেনা। এই কথাটা যদি মনে করেন তাহলে আসলেই আপনার দ্বারা কিছুই হবেনা। শুধু ডিজাইন শিখতে না আপনার সব কিছুতে আত্ব:বিশ্বাস থাকা প্রয়োজন। হ্যা! আমার দ্বারা এটা হবেই। আমি এটা করতে পারব এবং যে কোন কিছু বিনিময়ে আমাকে আমার লক্ষ অর্জন করতে হবে।

ধৈর্য

ডিজাইন শিখতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে। আপনাকে একটা রুটিন একটা সঠিক নিয়ম, গাইডলাইন ফলো করে আপনাকে কাজ শিখতে হবে। একদম প্রথম দিকে আপনাকে টানা ৭-৮ ঘন্টা কাজ করার প্রয়োজন নেই। কাজ করবেন খুব কম সময় বাট রিসার্চ করবেন বেশী বেশী। বেশীর ভাগ মানুষ ডিজাইন শিখা থেকে ঝড়ে পরে ধৈর্য না থাকার কারনে। সুতরাং গ্রাফিক ডিজাইনে আসার আগে আপনাকে ধৈর্যশীল হয়ে আসতে হবে ;)

হতাশা না হওয়া

গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে গিয়ে আপনাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়তে পারেন। হতে পারে আপনার বন্ধু বান্দবের কাছ থেকে টিটকারি, ফ্যামিলি থেকে বাধা, ব্লা ব্লা ব্লা...এইগুলো কোন কিছু কানে তোলা যাবেনা। যে যত কথাই বা যে যাই বলুক আপনাকে আপনার জায়গায় ঠিক থাকতে হবে এবং লক্ষ অর্জন না হওয়ার আগ পর্যন্ত পরিশ্রম করে যেতে হবে। কোন অবস্হা তে হতাশা হওয়া যাবেনা। যখন যে বাধায় পড়বেন ঠান্ডা মাথায় সেটা সমাধান করার চেস্টা করার চেস্টা করবেন। আমার দেখা অনেকেই আছে যাদের গ্রাফিক ডিজাইন শিখার মাঝখান থেকে ঝড়ে পড়েছে। তার এক মাত্র কারন ছিল অল্পতেই হতাশ হয়ে যাওয়া। ডিজাইন শুরু করার পরে আপনাকে কখনই হতাশ হওয়া যাবেনা।

ইন্টারনেট সম্পর্কে ভাল ধারনা

গ্রাফিক ডিজাইন শিখার আগে যদি আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজিং সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকে তাহলে খুব অল্প সময়ে ভাল করতে পারবেন বলে আশা করি। প্রথমত গুগল কে কিভাবে ইউজ করবেন সেটা ভাল করে শিখতে হবে। একজন দক্ষ ডিজাইনার হতে চাইলে ইন্টারনেট ছাড়া কোন বিকল্প নেই। আপনি ডিজাইন শিখার জন্য সব ধরনের ডিজাইন রিসোর্স ইন্টারনেট থেক সংগ্রহ করতে পারবেন।

শুরু করে দিন..

আর দেরী না করে ডিজাইন শিখা শরু করে দিন। আমাদের গ্রুপে এ সম্পর্কে অনেক ডক আছে। তাছাড়া পরবর্তী পোস্ট আমি লিখব কিভাবে ঘরে বসে সহজে প্রফেশনাল ডিজাইনার হবেন (ভিডিও সহ) :P :D । ডিজাইন সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন। যথাসাধ্য আমি সাহায্য করার চেস্টা করব :)

ধন্যবাদ।
তৌকির আহমেদ বাপ্পী

রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৫


১। বিজনেস কার্ড
২। ফ্লাইয়ার ডিজাইন
৩। ব্লুশিয়ার (বাই ফোল্ড, ট্রাইফোল্ড)
৪। ব্যানার (ওয়েব ব্যানার, বিল বোর্ড, পেপার অ্যাড)
৫। ইমেজ রিটাচ
৬। ইমেজ ম্যানিপুলেশন
৭। ফেসবুক কভার পেজ ডিজাইন
৮। বুক কভার ডিজাইন
৯। লোগো ডিজাইন
১০। আইডি কার্ড ডিজাইন
১১। পেন ডিজাইন
১২। আইকন ডিজাইন
১৩। লেটারহেড ডিজাইন
১৪। ইনভেলাপ ডিজাইন
১৫। টি-শার্ট ডিজাইন
১৬। ক্যালেন্ডার ডিজাইন
১৭। প্রোডাক্ট প্যাকেজিং
১৮। ওয়েব টেমপ্লেট ডিজাইন
১৯। ইনফো গ্রাফিক
২০। অ্যাপস ডিজাইন।

(collected)

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০১৫

অনেকেই ইউক্স, ইউআই নিয়ে জানতে চান যে কিভাবে শিখবেন? আমি তা নিয়ে আমার জানা যে সকল রিসোর্স আছে তা শেয়ার করবো। এবং নোটটি নিয়মিত আপডেট করবো। আজকের পর্বে ভিডিও কোর্সের লিঙ্ক দিব।

Design of Everyday Things. এটি Don Norman এর একটি অসাধারণ কোর্স যেখানে আপনাকে ডিজাইন রান্না করে খাওয়াবে। সাথে ডিজাইন আসলে কি তার নতুন পরিচয় ও স্বাদ পাবেন। কোর্স লিঙ্ক - https://www.udacity.com/course/viewer#!/c-design101 

User Experience for the Web (WebUX)  
ইউক্স ডিজাইনের উপর অনেক জনপ্রিয় একটি কোর্স।  আমি প্রথম যেই কোর্স থেকে ইউএক্স কি ? তা বুঝতে পারি।  

Product Design 
এক কথা যাকে বলে অস্থির। এই কোর্সে গুগল থেকে শুরু করে বিগ স্টার্টআপের ডিজাইনার রা ডিজাইনের ভিবিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। আমি এই কোর্সটা এই পর্যন্ত  ২ বার কমপ্লিট করছি সামনে আরো কত বার দেখি বলা মুশকিল :D। আপনি চাইলে করতে পারেন একদম ফ্রিতে ;)  
কোর্স লিঙ্কঃ https://www.udacity.com/course/product-design--ud509


Ux Fundamentals এই কোর্সটি  দেখে ফেলতে পারেন। অনেক নতুন ও মজার অবিজ্ঞতা হবে। 
কোর্স লিঙ্কঃ http://www.thegymnasium.com/catalog/course/103  


How to Prototype Web and Mobile Apps in 30 Minutes
কোর্স লিঙ্কঃ https://www.udemy.com/prototyping-web-and-mobile-apps/ 


Interaction Designএই কোর্সটিও গুরুত্ব পূর্ণ। দেখুন আপনার জন্য মজার কি রয়েছে :D 


এখানের প্রত্যেক্টি কোর্সই আপনাকে নতুন কিছু শিখতে সহায়তা করবে। তবে এখানে কলকাতা হারবাল টাইপের কিছু পাবেন না যে আপনি এগুলো দেখলেই ইউক্স ডিজাইনার হয়ে যাবেন। আপনি এখানে ডিজানের অনেক  টার্ম সম্পর্কে জানবে যে গুলো নিয়ে গুগল করে নিয়মিত পরাশুনা করবেন। আজকে ভিডিও কোর্সের লিঙ্ক দিলাম নেক্সট নোট লিখব বই নিয়ে। সুতরাং সাথেই থাকুন ;) 

(collected-nasir bin burhan)

সোমবার, ২৫ মে, ২০১৫


ব্যক্তিগত অথবা ব্যবসায়িক কারনে ডোমেইন কিনতে চাচ্ছেন কিন্তু ভাল ডোমেইন নেইম নির্বাচন করাটা অনেক সময় পেইনফুল হয়ে যায়। নিজে নিজে ব্রেইস্ট্রোমিং করলেন অথবা পরিচিত কারো থেকে নেইম সাজেশন চেয়ে পরে দেখলেন ডোমেইন নেইমটি পূর্বেই কেউ বুক করে রেখেছে। আর তাই এ সমস্যা সমাধানে আজ আপনাদের নিকট শেয়ার করছি পারফেক্ট ডোমেইন নেইম সাজেশন পাওয়ার দরকারি কয়েকটি টুলস –
১. Domize - https://domize.com/
২. Squurl - http://www.squurl.com/
৩. Domainr - https://domainr.com/
৪. DomainsBot - http://www.domainsbot.com/
৫. Dot-o-mator - http://www.dotomator.com/
৬. Bust a Name - http://www.bustaname.com/
৭. Nameboy - http://www.nameboy.com/
৮. Domaintyper - https://domaintyper.com/
৯. Wordoid - http://wordoid.com/
১০. Sedo - https://sedo.com/
পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না 😊

বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০১৫

ও এতে করে পাঠকেরা
পোস্টের সারসংক্ষেপ দেখে নির্ধারণ
করতে পারবে পুরো পোস্টটি পড়বে কি না।
একটি পোস্টের কতটুকু অংশ প্রদর্শিত হবে
তার জন্য অনেক ধরনের স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি
আছে ওয়ার্ডপ্রেসে। নিচে তার কয়েকটি
নিয়ে আলোচনা করা হলঃ
More ট্যাগ ব্যবহার করা
কোন একটি পোস্ট লেখার সময় more ট্যাগ
ব্যবহার করা হয়। এটি পোস্টের ভূমিকার
পরপরি দেওয়া যেতে পারে নিচের মতো
করেঃ
এটা আমার ব্লগ পোস্টের ভূমিকা
এটা আমার ব্লগ পোস্টের বাঁকি অংশ
ওয়ার্ডপ্রেস এই ট্যাগটিকে ব্রেক পয়েন্ট
হিসেবে ধরে নেয় এবং ব্লগ পেজে শুধুমাত্র
ট্যাগের উপরের অংশটুকু প্রদর্শন করে।
বাঁকি অংশের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিড
মোর যুক্ত হয়ে যায়।
এক্সসার্প্ট ফিল্ড ব্যবহার করা
এক্সসার্প্ট ফিল্ড ব্যবহার করা যেতে পারে
যা পোস্ট এডিটরের মধ্যেই পাওয়া যাবে।
যদি এটি সেখানে না পাওয়া যায়, তাহলে
উপরে ডানদিকে অবস্থিত স্ক্রীন
অপশনে ক্লিক করে সেখান থেকে
এক্সসার্প্ট চেকবক্সটি মার্ক করে নিতে
হবে। এরপর এক্সসার্প্ট ফিল্ডের মধ্যে
পোস্টের সারসংক্ষেপ লিখে দিতে হবে।
এক্সসার্প্ট ফিল্ড ব্যবহারের একটি সুবিধা
হল এর মাধ্যমে পোস্টের বিষয়বস্তু আলাদা
করে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব, যাতে করে
পাঠকেরা পোস্টের বাঁকি অংশ পড়ার
ব্যাপারে আগ্রহী হয়।
the_excerpt() ফাংশন ব্যবহার করা
the_excerpt() ফাংশন ব্যবহার করা যেতে
পারে। ডিফল্টভাবে ওয়ার্ডপ্রেস একটি
পোস্টের পুরোটি প্রদর্শন করে ব্লগ পেজে।
কারন পোস্টের বিষয়বস্তু প্রদর্শনের জন্য
ওয়ার্ডপ্রেস the_content() ফাংশনটি
ব্যবহার করে। এটিকে পরিবর্তন করে the_
excerpt() ব্যবহার করলেই ব্লগ পেজে সম্পূর্ণ
পোস্টের পরিবর্তে পোস্টের অংশবিশেষ
প্রদর্শিত হবে।
যদি প্রথম দুইটি পদ্ধতি প্রয়োগ না করা হয়ে
থাকে, তাহলে the_excerpt() ফাংশন
ব্যবহারের ফলে মূল পোস্টের প্রথম ৫৫ টি
শব্দ প্রদর্শিত হবে এবং সবশেষে [...]
দ্বারা চিহ্নিত হবে।
এখন অনেকেই হয়তো চাইবে প্রথম কতটি শব্দ
প্রদর্শিত হবে সেটা নির্ধারণ করে দিতে।
এটি করার জন্য functions.php ফাইলে নিচের
কোড স্নিপেট যুক্ত করতে হবেঃ
function t4b_excerpt_length($length)
{ return 40; }
add_filter( 'excerpt_length', 't4b_excerpt_
length' );
এর ফলে মূল পোস্টের প্রথম ৪০ টি শব্দ
প্রদর্শিত হবে। একটি বিষয় এখনও রয়ে
গেছে। যখন পোস্টের বিষয়বস্তু এক্সসার্প্ট
দৈর্ঘ্যের সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে যাবে, তখন
স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রেক পয়েন্ট [...] দ্বারা
চিহ্নিত হয়ে যাবে, যা পাঠকদের ইঙ্গিত
করে যে আরও পড়ার আছে। পাঠকদের একটু
সুবিধা করে দেওয়ার জন্য আমরা [...] এর
পরিবর্তে রিড মোর বা আরও
পড়ুন বা বিস্তারিত এগুলো ব্যবহার করতে
পারি। এটা করার জন্য functions.php ফাইলে
নিচের কোড স্নিপেট বসিয়ে দিতে হবেঃ
function t4b_excerpt_more($more) {
global $post;
return '' . 'বিস্তারিত' . '';
}
add_filter('excerpt_more', ' t4b_excerpt_
more ' );
এখন [...] এই চিহ্নর পরিবর্তে ব্রেক
পয়েন্টে বিস্তারিত লেখা থাকবে।
একাধিক এক্সসার্প্ট দৈর্ঘ্য পরিচালনা করা
ধরুন কেউ চাচ্ছে ফ্রন্ট পেজে এক্সসার্প্ট
দৈর্ঘ্য প্রদর্শিত হবে ৪০ শব্দের, কিন্তু অন্য
আর একটি পেজে তা প্রদর্শিত হবে ৫০
শব্দের মধ্যে। এরকম আরও অন্য কোন পেজে
ভিন্ন পরিমাণ শব্দ। এখন এই ক্ষেত্রে কি
করবে সে? এর জন্য প্রথমে প্রয়োজনীয় মান
অনুযায়ী functions.php ফাইলে ফিল্টার
ফাংশন লিখতে হবে নিচের কোড স্নিপেট
অনুযায়ীঃ
function t4b_excerptlength_index($length)
{ return 40; }
function t4b_excerptlength_aside($length)
{ return 25; }
function t4b_excerptlength_featp($length)
{ return 50; }
function t4b_excerpt_more($more) {
return '' . 'বিস্তারিত' . '';
}
এরপরে নতুন এক্সসার্প্ট ফাংশন বসিয়ে
দিতে হবে নিচের কোড স্নিপেট অনুযায়ীঃ
function t4b_excerpt($length_callback='', $
more_callback='') {
global $post;
if(function_exists($length_callback)) {
add_filter('excerpt_length', $length_
callback);
    }
    if(function_exists($more_callback)) {
add_filter('excerpt_more', $more_
callback);
    }
    $output = get_the_excerpt();
$output = apply_filters('wptexturize', $
output);
    $output = apply_filters('convert_chars', $
output);
    $output = '
'.$output.'
';
    echo $output;
}
এই ফাংশনে দুইটি প্যারামিটার ব্যবহার
করা হয়েছে। প্রথমটিতে এক্সসার্প্ট দৈর্ঘ্য
দিতে হবে এবং পরেরটিতে রিড মোর
দিতে হবে। এখন আপনি যেই দৈর্ঘ্যের
এক্সসার্প্ট দিবেন সেই পরিমাণ শব্দ
প্রদর্শিত হবে। যদি কিছু না দিয়ে ফাঁকা
রাখা হয়, তাহলে ডিফল্ট ৫৫ টি শব্দ
প্রদর্শিত হবে।
এখন ফাংশনটি থিমে প্রয়োগ করা বাঁকি।
ব্লগের যেই পেজে পোস্টের অংশবিশেষ
প্রদর্শন করাতে হবে সেখানে নিচের কোড
স্নিপেট বসিয়ে দিতে হবেঃ
// অন্য আর একটি
ব্যাস কাজ শেষ! এভাবে যত ইচ্ছা ততো
এক্সসার্প্ট দৈর্ঘ্য ব্যবহার করা যাবে।

(collected from alom)


আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন
ওয়ার্ডপ্রেসে ৫ ধরণের User Role থাকে।
Administrator, Editor, Author, Contributor এবং
Subscriber.
যদিও আপনি ইচ্ছা করলে নতুন ধরণের User
Role তৈরি করতে পারবেন।
এই ৫ ধরণের ব্যবহারকারীর প্রত্যেকের
কাজের পরিধি, ক্ষমতা এবং সীমাবদ্ধতা
আলাদা। ক্ষমতার ক্রমানুসারে
ওয়ার্ডপ্রেসের বিভিন্ন User Role-এর
তালিকাটা এরকমঃ
# Subscriber:
এই ধরণের ব্যবহারকারীরা কার্যত কিছু
করতে পারে না। নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন)
করার মাধ্যমে তারা সেই সাইটের সদস্য হয়
বটে, কোনো ধরণের পোস্ট করতে পারে না।
এমন যদি হয় যে, আপনি আপনার সাইটে
রেজিস্টার্ড ইউজার ছাড়া মন্তব্য করতে
দিবেন না; কিন্তু আপনি চান না যে তারা
পোস্ট করুক, সেক্ষেত্রে এই রোল ব্যবহার
করতে পারেন।
*.এরা মন্তব্য করতে পারবে।
*.নিজের প্রোফাইল হালনাগাদ/আপডেট
করতে পারবে।
# Contributor :
এই ধরণের ইউজাররা পোস্ট করতে পারবে।
কিন্তু তাদের পোস্ট সরাসরি প্রকাশিত
(Published) হবে না।
*.এরা মন্তব্য করতে পারবে।
*.নিজের প্রোফাইল আপডেট করতে পারবে।
*.পোস্ট করতে পারবে। পোস্ট সরাসরি
Publish হবে না, Pending থাকবে। Publish
হওয়ার আগ পর্যন্ত লেখা Edit বা Delete
করতে পারবে; কিন্তু Publish হলে আর Edit বা
Delete করতে পারবে না। ছবির সাথে Media
(ছবি বা অন্যান্য ফাইল) যোগ করতে পারবে
না।
*.নিজের এবং অন্য পোস্টের মন্তব্য দেখতে
পারবে।
# Author:
এরা পোস্ট করতে পারবে এবং পোস্ট
সরাসরি পাবলিশ হবে। ব্লগগুলোতে
সাধারণত এই রোল ব্যবহার করা হয়।
*.মন্তব্য করতে পারবে।
*.নিজের প্রোফাইল হালনাগাদ করতে
পারবে।
*.পোস্ট করতে পারবে, পোস্ট সরাসরি Publish
হবে। প্রকাশিত লেখা এডিট কিংবা
ডিলিট করতে পারবে। পোস্টের সাথে Media
যোগ করতে পারবে।
*.নিজের এবং অন্য পোস্টের মন্তব্য দেখতে
পারবে। নিজের পোস্টের মন্তব্য Delete,
Edit, Unapprove করতে পারবে।
# Editor :
এরা মূলত Moderation জাতীয় কাজ করে
থাকে।
*.মন্তব্য করতে পারবে।
*.নিজের প্রোফাইল হালনাগাদ করতে
পারবে।
*.পোস্ট করতে পারবে, পোস্ট সরাসরি Publish
হবে। প্রকাশিত লেখা এডিট কিংবা
ডিলিট করতে পারবে। পোস্টের সাথে Media
যোগ করতে পারবে।
*.অন্যের লেখা ডিলিট, এডিট ইত্যাদি
করতে পারবে। Contributor লেভেলের কারঅ
পোস্ট Pending থাকলে সেটা পাবলিশ করতে
পারবে।
*.Page তৈরি করতে পারবে। নিজের কিংবা
অন্যের Page ডিলিট, এডিট ইত্যাদি করতে
পারবে।
*.পোস্টের ক্যাটাগরি ডিলিট কিংবা নতুন
ক্যাটাগরি যোগ করতে পারবে।
# Administrator :
এরা সব করতে পারবে। Editor লেভেলের সব
কিছুর পাশাপাশি থীম পরিবর্তন করা, নতুন
থীম যোগ করা বা ডিলিট করা, প্লাগিন
Activate, Deactivate বা Delete করা ইত্যাদি
কাজ করতে পারবে। এছাড়াও Widget, Menu
ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা, বিভিন্ন রকমের
সেটিং, এমনকি সাইটের কন্টেন্ট (পোস্ট,
পেইজ, ইউজার ইত্যাদি) Export, Import করাও
Administrator-এর কাজ।

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০১৫


বর্তমানে ডেস্কটপ পিসির
থেকে ল্যাপটপের চাহিদা দিন
দিন বাড়ছে। স্কুল, কলেজ, অফিস-
আদালত থেকে শুরু করে ঘরে-
বাইরে অনেকেই ল্যাপটপ ব্যবহার
করছে। বর্তমানে ল্যাপটপের দাম
অনেক কমে যাওয়ায় ল্যাপটপের
গ্রাহক বেড়েছে। আসুন দেখে
নেই ল্যাপটপের বাজার দর : google
search:::: laptop price in Bangladesh.
আর ল্যাপটপের বহনযোগ্যতার
সুবিধা ও রাখার জন্য কম জায়গার
প্রয়োজন হয় বলে অনেকেই
ডেস্কটপ পিসির চেয়ে
ল্যাপটপকে বেশী প্রাধন্য
দিচ্ছে। ল্যাপটপ ও নোটবুক দুটি
প্রায় এক। তবে ল্যাপটপকে নোটবুক
বলাটা ঠিক নয়। কারন আকার ও
কনফিগারেশন অনুযায়ী এরা
খানিকটা ভিন্ন।
ল্যাপটপগুলোতে বেশ কিছু
বাড়তি সুবিধা দেয়া হয়, যেমন-
টাচ স্ক্রিন,ফিঙ্গারপ্রিন্ট
রিকগনিশন,কার্ড রিডার,
ওয়েবক্যাম, লাইটযুক্ত ভাল
মানের কীবোর্ড ইত্যাদি। আজ
আমি ল্যাপটপ কেনার পূর্বে যে
যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে
তা নিয়ে আলোচনা করব। এই
আলোচনার ম্যাধ্যমে আপনি
আপনার সঠিক মডেলের ল্যাপটপ
বেছে নিতে সহয়তা পাবেন।
আসুন দেখে নেই এই লক্ষণীয়
বিষয়গুলো:
১. ব্যাটারি ব্যাকআপ ল্যাপটপের
জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটি
ব্যাপার। যারা অফিস বা
ব্যক্তিগত কাজে বেশির ভাগ সময়
বাহিরে কাজ করেন তাদের জন্য
বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ সম্পন্ন
ল্যাপটপ কেনাই অ্যাবশক।
অধিকাংশ ল্যাপটপের
ব্যাটারি লিথিয়াম আয়নের
হয়ে থাকে। ব্যাটারিতে যত
বেশি সেল থাকবে , ব্যাটারির
ব্যাকআপ সময় ততটাই বেশি হবে।
তাই ল্যাপটপ কেনার সময় এর
ব্যাকআপ সময়টা দেখে কেনা
উচিৎ।
২.সাধারন কাজ যেমন-গান
শোনা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা,
মুভি দেখা অন্যান্য ছোটখাটো
কাজের জন্য কম বাজেটের
ল্যাপটপ কেনাটাই সঠিক
সিদ্ধান্ত। তবে মুভি দেখা যদি
আপনার নেশা হয় তাহলে একটু বড়
স্ক্রিন দেখে ল্যাপটপ নেওয়া
ভাল।
৩. গেম খেলা, ভিডিও
এডিটিং বা গ্রাফিক্সের
কাজের জন্য একটু হাই-
কনফিগারেশনের ল্যাপটপ দরকার।
এজন্য ল্যাপটপ কেনার বাজেটটা
বড়াতে হবে। কারন হাই-
কনফিগারেশনের ল্যাপটপের
দাম খানিকটা বেশী।
ল্যাপটপের CPU ও GPU এর সক্ষমতা
কেমন তা দেখে নিতে হবে।
এছাড়া প্রসেসরের ক্লক স্পিড
বেশী হলে ল্যাপটপের কাজের
স্পীড বেশী হবে। কিন্তু সাধারণ
কাজের জন্য এই স্পীড লক্ষণীয় নয়।
ভিডিও এডিটিং বা
গ্রাফিক্সের মত ভারী কাজের
জন্য Core i3, i5, i7 সিরিজের
ল্যাপটপ কেনা অত্যাবশ্যক।
৪. ল্যাপটপ কেনার সময় এর
হার্ডডিস্ক, র্যাম কত তা দেখে
নিতে হবে। কারন গেম খেলা,
ভিডিও এডিটিং বা
গ্রাফিক্সের কাজের জন্য
কমপক্ষে 4 GB DDR3 র্যাম নেবার
চেষ্টা করতে হবে। DDR3 র্যামের
স্পিড ভালো।
৫.ল্যাপটপে কি কি পোর্ট আছে
তা দেখে কেনা ভাল। যেমন-
USB port, HDMI port, LAN port ,
ইত্যাদি পোর্ট আছে কিনা তা
চেক করে নেওয়া উচিৎ।
বর্তমানে হাই ডেফিনেশন মুভি
ও গেমস খেলার জন্য HDMI Port
দরকার।
৬. বহনযোগ্যতা ল্যাপটপের অন্যতম
একটি দিক। ল্যাপটপের ওজন একটু
কম দেখে কেনা ভাল। এতে
ল্যাপটপ বহন করতে সুবিধা হবে।
এছাড়া কেনার সময় অবশ্যই
ওয়ারেন্টি কার্ড, চার্জার,
ব্যাগ ইত্যাদি অন্যান্য
জিনিসপত্র ল্যাপটপের সঙ্গে
আছে কিনা তা বুঝে নিতে
হবে। এছাড়া অনুমোদিত ডিলার,
আমদানিকারক, বিশ্বস্ত দোকান
থেকে ল্যাপটপ কিনতে হবে।
এতে ওয়ারেন্টি পেতে কোন
ঝামেলা হয় না।
আর পুরনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড
ল্যাপটপ কখনই কেনা উচিৎ নয়।
অর্থের বা বাজেটের সমস্যা
থাকলে অপেক্ষা করুন ও ভাল
বাজেটের নতুন ল্যাপটপ কিনুন।
এছাড়া ল্যাপটপ কেনার সময়
আপনি আপনার কোন অভিজ্ঞ বন্ধু
বা আত্মীয় স্বজনের সহযোগিতা
নিতে পারেন।
ল্যাপটপ ক্রয় করার পূর্বে
পূর্বোল্লিখিত লক্ষণীয় বিষয়
গুলো বিবেচনায় রাখা উচিৎ।
আশা করি এই আর্টিকেলের
ম্যাধ্যমে ল্যাপটপ ক্রয়করতে
সুবিধা পাবেন। ধন্যবাদ।

(collected : shomrat)

আজ

|

Visitors

Flag Counter

Popular Posts